শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৪

টুইটারের পরিচয় ও ব্যবহার সম্পর্কে জানা





ইন্টারনেটভিওিক সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর মধ্যে একটি জনপ্রিয় সাইট হলো টুইটার। একে ইন্টারনেটের এসএমএস বলেও অভিহিত করা হয়।
টুইটার সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েব সাইট, যেখানে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ১৪০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন। এই বার্তাগুলোকে টুইট বলা হয় থাকে। টুইটারে সদস্যদের টুইটবার্তাগুলো তাদের প্রোফাইল পাতায় দেখা যায়। টুইটারের সদস্যরা অন্য সদস্যদের টুইট পড়ার জন্য অন্য নিবন্ধন করতে পারেন। এই কাজটিকে বলা হয় অনুসরণ করা বা follow করা। কোনো সদস্যদের টুইট পড়ার জন্য যারা নিবন্ধন করেছে, তাদের বলা হয় follower বা অনুসারী। টুইট লেখার জন্য সদস্যরা সরাসরি টুইটার ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও মোবাইল ফোন বা এসএমএসের মাধ্যমেও টুইট লেখার সুযোগ রয়েছে। টুইটারের মূল কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিস্কো শহরে। ২০০৬ সালের মার্চ মাসে টুইটারে যাএা শুরু হয়। টুইটার সারা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ২০১০ সালের ৩১ শে অক্টোবর নাগাদ টুইটার ১৭৫ মিলিয়ন অর্থাৎ ১৭.৫ কোটিরও বেশি সদস্য ছিল।
টুইটার একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থিত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব করা সম্ভব হয়। তবে এর ব্যবহারে সতর্কতার পরিচয় দিতে হবে।

ফেসবুকের ইতিহাস ও ব্যবহার সম্পর্কে জানা




বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের একটি ওয়েব সাইট হলো ফেসবুক। পৃথিবীর সকল ভাষাভাষী লোক এই সাইটের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকতে পারে। ফেসবুক বিশ্ব-সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিতে নিখরচায় সদস্য হওয়া যায়। এর মালিক হলো ফেসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগন বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলি হালনাগাদ ও আদান-প্রদান করতে পারেন। সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যাল এবং অঞ্চল ভিওিক নেটোয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন। মার্ক জুকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাএ এডওয়ার্ডো সেভারিন,ডাস্টিন মস্কোভিতস এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ করেণ। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মক্ত করা হয়। সারাবিশ্বে বর্তমানে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছেন ৩০০ মিলিয়ন কার্যকরী সদস্য।
বাংলাদেশেও ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। ফেসবুক ব্যবহারকারী তার পরিচিতিমূলক একটি বিশেষায়িত ওয়েবপেইজ চালু করতে পারেন। এটিকে বলা হয় ব্যবহারকারীর প্রোফাইল। ব্যবহারকারী তার নিজের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য, তার ভালোলাগা মন্দ লাগার বিষয়গুলো ইত্যাদি তার প্রোফাইলে প্রকাশ করেন। ফেসবুক অনুযায়ী একজন মানুষের সঙ্গে অন্য যত মানুষের যোগাযোগ থাকবে তারা সবাই হচ্ছে তার ‘বন্ধু’।

ই-মেইল সম্পর্কিত একটি ল্যাবওয়ার্ক




Electronic Mail কে সংক্ষেপে E-mail বলা হয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারাবিশ্বে যে কোনো স্থানে ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো হল কম্পিউটার,মডেম,টেলিফোন লাইন,ইন্টারনেট সংযোগ ও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার।
ই-মেইল ঠিকানা বা অ্যাড্রেস: ডাকযোগে চিঠি পাঠাতে যেমন ঠিকানার প্রয়োজন ঠিক তেমনি কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠানোর জন্য একটি ই-মেইল ঠিকানার প্রয়োজন হয়। ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে। প্রথমটি ইউজার নেম এবং @ পরে থাকে ডোমেইন নাম। যেমন: gobinda.dey5111@yahoo.com ।
একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস যা যা নিয়ে গঠিত: ই-মেইল আদান প্রদানের জন্য কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সফটওয়ার হলো- windows Explorer, Mozila Firefox, Eudora, Outlook Express ইত্যাদি।
ই-মেইল খোলা: ফ্রি ই-মেইল খোলার জন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের ঠিকানা হলো: www.yahoo.com, www.hotmail.com, www.google.com ইত্যাদি।
ইন্টারনেট সংযোগ থাকা অবস্থায় আমরা যে কোনো ওয়েব পেজ ( যেমন: mozila Firefox) ব্রাউজার চালু করি। Address bar এ www.yahoo.com  লিখে এন্টার বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে কম্পিউটারে স্ক্রীনে Yahoo! হোম পেজটি ওপেন হবে।
এখন Create New Account বাটনে ক্লিক করলে একটি পেজ আসবে।
এবার উপরের তথ্যগুলো যথাযথোভাবে পূরণ করে Create Account বাটনে ক্লিক করতে হবে। সবশেষে Submit বাটনে ক্লিক করলে ই-মেইল অ্যাড্রেসটি তৈরি হয়ে যাবে।
বি:দ্র: উল্লেখ্য যে, password  একটি গোপন number  লিখতে হবে এবং Re-type password এ একই Number লিখতে হবে। নম্বরটি ছয় অক্ষরের এর বেশি হওয়া উচিত। ইচ্ছা করলে Number ও Letter একত্র করে লিখা যাবে। Security Question থেকে যে কোনো question select করে নিজ থেকে একটি উত্তর লিখতে হবে। এভাবে একে একে অন্যান্য ঘরগুলো fill up করতে হবে।
Type the code shown  বক্সে পাশে নিচে বক্সের মধ্যে দেখানো লাইনটি হুবহু লিখতে হবে। Create My Account এ ক্লিক করতে হবে। তারপর একটি পেজ আসবে। লাল কালিতে লেখা লেবেলগুলো পুনরায় Entry করতে হবে। এভাবে যতবার ফরম গ্রহণ না হবে ততবার Fill up করতে হবে।
ই-মেইল গ্রহণ করা: যে কোনো ব্রাউজার সফটওয়্যার চালু করে অ্যাড্রেস এর ঘরে www.yahoo.com লিখে এন্টার দিতে হবে।
এবার yahoo! ID এর বক্সে ID ( যেমন-gobinda.dey5111) লিখতে হবে। password এর বক্সে password টি টাইপ করতে হবে । এরপর Sign in এ ক্লিক করতে হবে অথবা এন্টার দিতে হবে। ফলে একটি নতুন পেজ ওপেন হবে। এটাই gobinda.dey5111 এর Yahoo! এর মেইল সাইট।
ই-মেইল পাঠানো: ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমে Compose এ ক্লিক করতে হবে।
To টেক্সট বক্সে যে নামে মেইল পাঠাতে হবে তার ই-মেইল অ্যাড্রেস লিখতে হবে। একই মেইল অনেকের কাছে পাঠাতে হলে CC বক্সে কমা দিয়ে সবার ই-মেইল অ্যাড্রেস লিখতে হবে। তাছারা BCC বক্সে কমা দিয়ে ই-মেইল অ্যাড্রেস লিখা যায়। এক্ষেতে প্রত্যেকের কাছে ই-মেইল যাবে তবে কেউ কারো ই-মেইল দেখতে পারবে না।
Subject এর ঘরে Subject লিখতে হবে এবং নিচের খালি বড় বক্সটিতে মেইল লিখতে হবে। Send বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই ই-মেইলটি প্রাপকের ঠিকানায় চলে যাবে।
ই-মেইলে এটাচমেন্ট পাঠানো: ই-মেইলের সাথে ফাইল Attach করতে হলে অর্থাৎ কম্পিউটারে রাখা কোনো ফাইল পাঠাতে হলে Attach বাটনে ক্লিক করতে হবে।
Attach ফাইলটি আগে থেকেই কম্পিউটারে তৈরি করে রাখতে হবে। তাহলেই ই-মেইলটির Attach ফাইলসহ প্রাপকের ঠিকানায় চলে যাবে।

ই-মেইলে এটাচমেন্ট ফাইল খোলা: ই-মেইলের সাথে এটাচমেন্ট ফাইল খোলার জন্য ই-মেইলের Inbox এ ক্লিক করতে হবে তাহলে একটি ফাইল আসবে। এখন যে ফাইলটি এটাচমেন্ট সেই ফাইলটিতে ক্লিক করতে হবে। এবার এটাচমেন্ট ফাইলে ক্লিক করলে এটাচমেন্ট ফইলটি ওপেন হবে।

শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৪

OTG ক্যাবল দিয়ে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলকে কম্পিউটার বানিয়ে ফেলুন









বর্তমানে অনেক এন্ড্রয়েড ডিভাইসে OTG সাপোর্ট করে তবে অনেক ব্যবহারকারী জানেন না আসলে কি কাজ হবে এই OTG দিয়ে। আজ আমরা জানবো এন্ড্রয়েড ফোনে OTG এর কাজ কি।
সাধারণত OTG শব্দের পূর্ণ রূপ হল on the go অর্থাৎ USB on the go অথবা OTG এর মানে হল আপনি আপনার ডিভাইসটিকে ইউএসবি হোস্ট হিসেবে ব্যবহার করে এর সাথে বিভিন্ন ইউএসবি ডিভাইস সংযুক্ত করতে পারবেন। এছাড়াও OTG কে আরো অনেক ভাবে ব্যবহার করা যায়।
সর্বপ্রথম OTG কেবল দেখা যায় BlackBerry Device গুলো তে, সাধারণত ডাটা ট্রান্সফারের জন্য। দুটি OTG সাপোর্টেড ডিভাইসের একটিকে আরেকটির সাথে যুক্ত করে অনেক ধরনের কাজ করা হত ওই সময়। তবে সময়ের সাথে OTG ধারণা এবং কার্যক্ষমতা আরও ব্যাপকভাবে বাড়ানো হলো। বিশেষ করে Android ভার্সন 3.1 এর পর OTG supported ডিভাইস বের করা হলে OTG গ্রাহক পর্যায়ে দারুন সাড়া ফেলে।
তবে সব ডিভাইসে কিন্তু OTG সাপোর্ট করে না। কারণ কিছু এন্ড্রয়েড ডিভাইসের প্রসেসর এবং কার্নেল OTG সাপোর্ট করেনা ফলে ওই সব ডিভাইসে OTG সাপোর্ট নেয়া সম্ভব নয়। তবে কিছু পুরোনো ডিভাইসে ভাল হার্ডওয়ার থাকলে এখন Root করার পর সেগুলি একটু Customize করে OTG supported করা যাচ্ছে( যেমন-Galaxy s 2)
আপনার যদি OTG সাপোর্টেড ডিভাইস থাকে তবে আপনি অনেক কাজ পিসি ছাড়াই করতে পারবেন। OTG সাপোর্ট থাকার কারণে আপনি পিসি ছাড়াই আপনার ক্যামেরার ফটোগুলো খুব সহজে প্রিন্টারে পাঠানো যাবে। এছাড়া কীবোর্ড সহ অন্যান্য ইউএসবি স্টিক এখন খুব সহজেই স্মার্টফোনের সাথে যুক্ত করা যায়।
OTG এর ব্যবহার:
হার্ডওয়ার এর উপর ভিত্তি করে OTG এর বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। যেমন স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের ক্ষেতে OTG সাপোর্ট থাকলে আপনি আপনার ডিভাইসের সাথে কীবোর্ড,হার্ডড্রাইভ এবং ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি যুক্ত করতে পারবেন। আপনার ফোনেই আপনি ডিশ এবং টিভি দেখতে পারবেন। আপনি যদি আপনার স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের সাথে কোন প্রকার স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ডড্রাইভ বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ যুক্তকরতে চান তাও পারেন। তবে এক্ষেতে আপনাকে কিছু ঈ্যাপ ব্যবহার করতে হবে যেমন: USB Host Controller
OTG সুবিধা পেতে  হলে আপনার প্রয়োজন হবে একটি ভাল মানের OTG ক্যাবল। বর্তমানে বিভিন্ন স্মার্টফোন এক্সেসোরিস দোকানে এই OTG ক্যাবল পাওয়া যায়।
আপনার ডিভাইসটি OTG সাপোর্টেড কিনা তা জানার জন্য ডিভাইসটির স্পেসিফিকেশন চেক করাই যথেষ্ট।
চলুন জেনে নেই কিছু OTG সাপোর্টেড ডিভাইসের নাম-
Sony xperia z, zl,z ultra,z1,z2,Samsung Galaxy s2.s3,s4,s5,LG optimus,G2,G3,HTC one,one mini,one max,Walton primo H2,walpad 7,walpad 8,walpad 8b,zx সহ আরও অনেক ডিভাইস।



আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটিকে বানিয়ে ফেলুন স্ক্যানার





সাধারণত একটি স্ক্যানার অনেক বড় হয়। এটি নিয়ে চলাফেরা করা সম্ভব নয়। কিন্তু আপনার এন্ড্রয়েড ফোনকে যদি স্ক্যানারে রূপান্তর করা যায় তবে কেমন হয়? ভাবছেন অসম্বব না এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে স্ক্যানার হিসেবে ব্যবহার করা যায় এর জন্য আপনার প্রয়োজন একটি অ্যাপস এর নাম স্ক্যান মাস্টার। যা আপনি গুগল প্লে স্টোরেই পাবেন।
তাৎক্ষনিক কোন ডকুমেন্টকে কম্পিউটারে সংরক্ষন কিংবা ইমেইল করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ডকুমেন্টকে স্ক্যা্ন করা। এই পদ্ধতিতে যেমন দ্রুত ফাইলকে সংরক্ষন করা যায় তেমনি এটি নিরাপদ। কিন্তু আমাদের নিত্যব্যবহার্য স্ক্যানারটি হয়ে থাকে অনেক বড় যা প্রয়োজনের সময় আপনার হাতের কাছে নাও থাকতে পারে। আপনার এই সমস্যাটির সমাধান করতে পারে আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনের স্ক্যান মাস্টার। ফোনের ক্যামারিটিকে আপনি স্ক্যানার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
যেভাবে ব্যবহার করবেন:
১.প্রথমে আ্যাপসটি চালু করে ডকুমেন্টের উপরে স্মার্টফোনের ক্যামেরাটি নিয়ে স্ক্যান করুণ। স্ক্যান হওয়ার পর পরেই একটি নোটিফিকেশন দেখাবে যেখানে জানতে চাওয়া হবে আপনি এটি কি ফাইল হিসেবে সংরক্ষন করতে চাচ্ছেন। পিডিএফ চাইলে পিডিএফ ক্লিক করুন।
২.আপনি যদি ডকুমেন্টের নির্দিষ্ট অংশকে সংরক্ষন করতে চাইলে মোডিফিকেশন থেকে ক্রপ সিলেক্ট করে নির্দিষ্ট অংশটি বাছাই করুন। ইমেজের উজ্জলতা আর সাইজটি স্বয়ক্রিয়ভাবে ঠিক করে দিবে অ্যাপসটি নিজেই।
এছাড়াও বন্ধুরা নোকিয়ার মাল্টি স্ক্যানারের মাধ্যমেও আপনি যেকোন ডকুমেন্ট সহজেই স্ক্যানিং করতে পারেন।

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসাওয়ার্ড চুরি হলেও আইডি চুরি হবে না










ফেসবুক এখন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানান ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমৃদ্ধ একাউন্টটি যদি হ্যাক হয়ে যায় আপনার এর থেকে বড় বিপদ আর কি হতে পারে বলুন? তাই আজ আমি জানাব কিভাবে আপনি আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেও আইডি রক্ষা করতে পারবেন।
১.আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায় তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে না এটি বাস্তব তবে এর জন্য প্রথমে আপনাকে যা করতে হবে, ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশে এর পাশে অ্যারোতে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট সেন্টিংসে ক্লিক করুণ অথবা সরাসরি www.facebook.com/settings?ref=mb ঠিকানায় যান।
২.এবার এখানে বা পাশ থেকে security তে ক্লিক করুণ। এখন login Approvals এর ডান পাশ থেকে edit এ ক্লিক করুন। তারপর Require me to enter a security code এই ঘরে টিক চিহ্ন দিন।
৩. টিকচিহ্ন দেওয়ার সময় নতুন একটি বার্তা এলে set up now এ ক্লিক করুন।
৪.এবার phone number বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে continue তে ক্লিক করুন।
৫.আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে submit code বাটনে ক্লিক করে close এ ক্লিক করুন।
৬. Login notifications এর ডান পাশ থেকে edit এ ক্লিক করে email এবং text message বক্সেও টিকচিহ্ন দিয়ে save এ ক্লিক রাখতে পারেন। এতে ইমেইলে আপনার কোড সেন্ড হবে।
৭.এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে পুনরায় আবার ফেসবুকে লগইন করুনদেখবেন name new device  নামে একটি পেজ এসেছে। সেখানে device name কোন নাম লিখে save device এ ক্লিক করুন।
ব্যাস হয়ে গেল। এখন থেকে প্রতিবার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারোও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে continue তে ক্লিক করলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে।