রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

পুরুষ কেন বহুগামী?




পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষ কেন বহুগামী প্রশ্নটি বহু পুরনো। তারপরও একজন মনোবিজ্ঞানী উত্তর জানার চেষ্টা করেছেন কোনো কোনো পুরুষ কেন তাঁদের সঙ্গিনীর সঙ্গে প্রতারণা করেন। কেন নিজ যৌন তাড়না বহুগামীতার দিকে টেনে নিয়ে যায় তাঁদের

কাতারের দোহা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান মার্টিন স্টুয়ার্ট এই গবেষণায় ৫০০ ব্রিটিশ পুরুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। এদের মধ্যে তিনি ২৭ ধরনের পুরুষের খোঁজ পেয়েছেন। তাঁর ধারণা হয়েছে, বিবর্তনের ধারাই আসলে পুরুষকে প্রতারক করে তুলেছে

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ বলেছেন, জীবনে কখনো না কখনো তাঁরা স্ত্রী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ২৭ শতাংশ উত্তরদাতা কাজটি করেছেন তাঁদের বর্তমান সঙ্গিনীর সঙ্গেই।আর তাঁদের সবাই এমন আচরণের পেছনে কোনো না কোনো যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন

প্রশ্নটি তখনই ওঠে যখন কোনো নারী হঠাৎই আবিষ্কার করেন যে, তাঁর স্বামী বা প্রেমিক অন্য কোনো নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন এবং ক্রমাগত মিথ্যে বলে যাচ্ছেন। স্টুয়ার্ট তাঁর সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন কেন তাঁরা সঙ্গিনীর প্রতি সৎ থাকেননি

‘‘
কেউ কেউ বলেছেন, তাঁর প্রেমিকা শারীরিক প্রেমের বিষয়ে যথেষ্ট মনোযোগ দিচ্ছিলেন না। কেউ আবার বলেছেন, এটা তো শুধুই সেক্স.আমি তো আমার স্ত্রীকেই ভালোবাসি! কেউ আবার অম্লান বদনে বলেছেন প্লেটে সাজিয়ে সামনে দিলে খাব না?

যে যেমন অজুহাতই দিক না কেন, ঠিক কোন কারণটি পুরুষদের প্রতারণার পথে চালিত করছে সেটিই চিহ্নিত করতে চেয়েছেন স্টুয়ার্ট। আর এখানেই চলে আসছে বিবর্তনবাদের আলোচনা

‘‘
আমরা আজ যে আচরণ করছি অনেক ক্ষেত্রে তার শেকড় প্রোথিত সুদূর অতীতে আমাদের আদি পুরুষের মধ্যে। তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় আদি পুরুষেরা কেন বহুগামী হতেন? বিবর্তনবাদ অনুযায়ী এর একটি উত্তর হতে পারে প্রজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার তাগিদ

স্টুয়ার্টের মতে, বিবর্তনের ধারায় পুরুষের মস্তিষ্ক এমনভাবে তৈরি হয়েছে যে, শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অধিকাংশ পুরুষের মধ্যেই কম-বেশি অবিশ্বস্ত হওয়ার প্রবণতা রয়ে গেছে

‘‘
মোট ২৭ ধরনের পুরুষ আছে৷ এদের মধ্যে কোনো কোনো ধরনের পুরুষের অবিশ্বস্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি৷ সুতরাং সম্পর্কে জড়ানোর আগে নারীদের ভাবতে হবে কোন ধরনের পুরুষের সঙ্গে তিনি যাচ্ছেন

স্টুয়ার্টের এই ২৭ ধরনের পুরুষের মধ্যে একটি হলো সুযোগসন্ধানী৷ অর্থাৎ, কারো সঙ্গে শরীরী প্রেমের কোনো সুযোগই এঁরা ছাড়তে চান না৷ পরিণতি কী হবে সেটাও তাঁরা ভেবে দেখেন না

আরেক জাতের পুরুষ আছে, যারা দুর্বলতার সুযোগ নেন৷ এরা সব সময় পরিস্থিতিকে নিজের পক্ষে নিতে চান এবং নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য পরিবারের সদস্য, বন্ধু, স্ত্রী বা সঙ্গিনীর কাছ থেকে সুবিধা আদায় করেন

অবশ্য সব আশা একেবারে শেষ হয়ে যায়নি৷ স্টুয়ার্ট বলছেন, সমীক্ষায় তিনি বহু পুরুষ দেখেছেন, যারা এখনো সঙ্গিনীর প্রতি সৎ, বিশ্বস্ত, পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল এবং মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা রাখেন

স্টুয়ার্ট নিজে কোন ধরণের পুরুষ?
তাঁর সহাস্য উত্তর ‘‘ওহ না! সবাই আমাকে এই প্রশ্নটা করে। কিন্তু আমি কাউকে আমার নিজের কথা বলি না

নারীর ফুলশয্যার প্রস্তুতি





: প্রতিটি নারীর জীবনেই বিয়ে একটি বিশেষ দিন। কিশোরী বয়স থেকেই বৌ সাজার অপেক্ষা করতে করতে শেষ পর্যন্ত যখন কাঙ্ক্ষিত দিনটি চলে আসে তখন ঘাবড়ে যান অধিকাংশ নারীই। কীভাবে সামলে নিবেন নতুন জীবনের সব মূহূর্ত এটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিষাদগ্রস্ত হয়ে যান নারীরা। বিশেষ করে ফুল শয্যার রাতটা নিয়ে মনে জমে থাকে নানান আতঙ্ক কৌতুহল। ফুলশয্যার এই বিশেষ রাতটির জন্য প্রতিটি নারীরই উচিত কিছু প্রস্তুতি নেয়া আগে থেকেই। জেনে নিন ফুলশয্যার আগে প্রতিটি নারীরই যে প্রস্তুতি গুলো নেয়া উচিত সেই সম্পর্কে

মানসিক প্রস্তুতি:
ফুল শয্যার আগে প্রতিটি নারীরই প্রয়োজন মানসিক প্রস্তুতির। এমনিতেই বিয়ের একটা বড় ধকল প্রতিটি নারীর মনকে দূর্বল করে দেয়

প্রিয়জনদেরকে ছেড়ে আসার বেদনা ভোলার আগেই নতুন জীবনে পা দিতে হয়। তাই সব মিলিয়ে মন খারাপ থাকে অধিকাংশ নারীর। তাই ফুল শয্যার আগে প্রয়োজন মানসিক প্রস্তুতির। নিজেকে বোঝান যে এটাই জীবনের বাস্তবতা। আপনার স্বামীই আপনার সবচাইতে কাছের মানুষ বিয়ের পরে। তাই তাকে সহজ ভাবে গ্রহণ করার জন্য মনকে প্রস্তুত করুন

ওয়াক্সিং:
বিয়ের আগে প্রতিটি নারীরই উচিত ওয়াক্সিং করে নেয়া। বিয়ের সময়ে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম অত্যন্ত দৃষ্টিকটু দেখায়। তাই বিয়ের দুই তিনি দিন আগে ওয়াক্সিং করিয়ে নেয়া ভালো। তবে বেশি আগে করা উচিত নয়। ভালো কোনো পার্লারে অথবা ঘরেই করে নিতে পারবেন ওয়াক্সিং

স্পা বডি ম্যাসেজ:
শুধু কি শরীরকে লোম মুক্ত করলেই হবে? ত্বকের উজ্জ্বলতাও বৃদ্ধি করা চাই বিয়ের আগে। তাই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করার জন্য এবং ত্বককে আরো কোমল করে তোলার জন্য স্পা করিয়ে নিতে পারেন। আপনার ত্বকের সাথে মানানসই কোনো স্পা করিয়ে নিতে আপনাকে যেতে হবে ভালো কোনো পার্লারে। সেই সঙ্গে শরীরটাকে ঝরঝরে করে তুললে বডি ম্যাসাজও করিয়ে নিতে পারেন

পরিচ্ছন্নতা:
ফুল শয্যার রাতে পরিচ্ছন্ন থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। আর তাই অবশ্যই এসময়ে নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখুন। প্রয়োজনে বিয়ের মেকআপ তুলে ফেলার পরে নিজেকে ঝরঝরে করে তুলতে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করে ফেলুন

সুগন্ধি:
সুগন্ধ সবসময়েই আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে। আর তাই ফুল শয্যার রাতে ব্যবহার করুন মিষ্টি কোনো সুগন্ধি। এতে আপনার সঙ্গী মুগ্ধ হবেন এবং আপনার প্রতি তার আকর্ষণ ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে

জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা:
ফুল শয্যার রাতে সবচাইতে জরুরী বিষয়টি হলো জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আমাদের সমাজে অধিকাংশ নারীই বিয়ের সময় কুমারী থাকেন। আর তাই আগেই থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। বিয়ের পরপরই সন্তান গ্রহণ করতে না চাইলে জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখা উচিত। এতে বিয়ের পর কোনো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না