রবিবার, ২৮ জুন, ২০১৫

নদীতে ভেঙ্গে যাওয়া ও জেগে উঠা ভূমি সংক্রান্ত আইন


সিকস্তি:
কোন ভূমি ভেঙ্গে নদী বা সাগর গর্বে বিলীন হয়ে গেলে ইহাকে সিকস্তি বলে।
পয়স্তি ভূমি:     
সাগর বা নদীতে কোন ভূমি জেগে উঠলে বা ভেঙ্গে যাওয়া ভূমি পুনরায় জেগে উঠলে এরূপ ভূমিকে পয়স্তি বলে।
১৯৯৪ সনের ১৫ নং আইন বলে সাবেক ৮৬ ধারা সংশোধন করে তদস্থলে নিম্নরূপ সংশোধনি ৮৬ ধারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। ১৩ জুলাই ১৯৯৪ ইং তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে ইহা আইনে পরিনত হয়েছে
ষ্টেট একুইজিসন এন্ড টেন্যান্সী এ্যাক্ট ১৯৫০ এর ৮৬ ধারা: সিকস্তি মূলে খাজনা মওকুফ ও পয়স্তি মূলে পু:ন জাগরিত ভূমির স্বত্ব/অধিকার নির্ণয়।

নামজারি ও খারিজের আইন




বর্তমানে মিউটেশনের দায়িত্ব সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর উপর ন্যাস্ত।(পূর্বে উপজেলা রাজস্ব আফিসার বা সার্কেল অফিসার রাজস্ব এর উপর ন্যাস্ব ছিল।)
নামজারি দু’ প্রকারের হয়ে থাকে।
১। মূল খতিয়ানের নাম কর্তণ করে ভূমি কিংবা নাম যোগ করে নাম জারি করে এবং
২। কোন খতিয়ানের কোন অংশীদার বা নতুন মালিক খতিয়ান হতে বের হয়ে বা খারিজ হয়ে স্বতন্ত্র খতিয়ান খুলতে চাইলে জমা ভাগ করে স্বতন্ত্র খতিয়ান খুলে নামজারি করা হয়।
স্টেট একুইজিশন এন্ড টেন্যান্সী অ্যাক্টের ১১৬ধারা মোতাবেক কোন মালিকের একই মৌজায় অবস্থিত তার বিভিন্ন খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগের ভূমি রাজস্ব অফিসারের যজ্ঞ বিক্রয়ে একটি খতিয়ানে একতরিত বা সমন্বিত করতে পারেন এবং উক্ত অ্যাক্টের (১১৭ ধারার ৯১) উপধারা (সি)অনুচ্ছেদ আনুযায়ী কোন একান্নভুক্ত খতিয়ানকে ভাগ করে স্বতন্ত্র খতিয়ান খুলতে পারেন এবং ভাগ করতে হলে রাজস্ব আফিসারের কাছে উক্ত খতিয়ানের এক বা একাধিক আংশীদারগনের আবেদন করতে হবে।
ধারা-১১৬:যদি একই গ্রামে বিভিন্ন ভূমিখন্ড একজন মালিকের স্বত্বাধীন হয় এবং ইহা বিভিন্ন খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত থাকলে এরূপ ভূমি খন্ডসমূহ রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশ বলে একটি খতিয়ানে একত্রিভুক্ত করা যাবে
শর্ত হলো যে রাজস্ব অফিসার কর্তৃক এরূপ একত্রিভুক্তির আদেশ করা হবে না যদি মালিকের ইহাতে কোন আপত্তি থাকে এবং উক্ত অফিসারের নিকট যুক্তিসঙ্গত ও যথেষ্ট বলে প্রতীয়মান।
১১৭(১)ধারা: এই অংশের অন্যত্র অন্য কিছু থাকা স্বত্ত্বেও রেভেনিউ অফিসার,(এ)১১৬ ধারা অনুযায়ী জোতগুলী(টেন্যান্সি)একত্রিকরণের উদ্দেশ্যে স্বউদ্যোগে অথবা তার বরাবর এক বা একাধিক অংশীদার এতোদ্দেশ্যে আবেদন করিলে কিংবা বি ১১৯ ধারা অনুযায়ী কোন মালিকের হোল্ডিংগুলো একত্রিত করনের উদ্দেশ্যে রেভিনিউ অফিসার স্বউদ্যোগে অথবা তার বরাবর এতোদ্দেশ্যে আবেদন করলে কিংবা
(সি)খাজনা ভাগ করার জন্য একান্নভুক্ত জোত ভাগ করার উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক অংশীদার টেন্যান্ট তার বরাবরে আবেদন করলে, অংশীদার টেন্যান্টদের মধ্যে একান্নভুক্ত জোতের এরূপ বিভক্তির এবং বকেয়া সহ যদি থাকে খাজনা যেরূপ ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত বিবেচিত হবে সেভাবে বন্টনের জন্য (রেভেনিউ অফিসার)লেখিত আদেশ দ্বারা নির্দেশ দিবেন।
কিন্তু শর্ত হলো যে, উপস্থিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পাটিসমূহকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন শুনানি গ্রহণ ব্যতিরেকে এরূপ আদেশ পাশ করা যাবে না।
(অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট পক্ষগনকে রেভেনিউ অফিসারের সন্মুখে হাজিরা হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় শুনানী গ্রহন ব্যতিরেকে কোন আদেশ প্রদান করা যাবে না।)
আরও শর্ত থাকে যে: উপরোক্ত (সি) অনুচ্ছেদের আওতাধীন কোন আদেশ হলে এবং এরূপ খাজনা বন্টনের ফলে কোন জোতের খাজনা ১.০০(এক) টাকার নিম্নে হলে ইহাকে ১.০০ টাকায় পরিণত করতে হবে অর্থাৎ ১.০০(এক) টাকার নিম্নে কোন জোতের খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন করা হবে না।
২। এই উপধারাটির ১৯৬৭ সনের ই,পি অধ্যাদেশ নং ৮ এর (১৯)ধারা মূলে দেওয়া হয়েছে।
৩। উপধারা: ১১৭ ধারা ১ উপধারাধীন কোন একান্নভুক্ত হোল্ডিং বিভক্তির আদেশ হলে এরূপ বিভক্তি। ভূমির উপর চিহ্নিত করতে হবে এবং ক্যাডাষ্ট্র্যাল জরিপের ম্যাপ ইহা প্রদর্শন করতে হবে।

জমি ক্রয়বিক্রয়




ইষ্ট বেঙ্গল ত্র্যাক্ট নং-২৮/১৯৫১, টেষ্ট একুইজিশন টেন্যান্সি ত্র্যাক্ট ১৯৫০ এর ৮৮ ধারা অনুযায়ী। একজন রায়ত এই এ্যাক্টের                                          বিধানের শর্ত সাপেক্ষে তার হোল্ডিং বা ইহার অংশ বা খন্ড তার অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির ন্যায় হস্তান্তর করতে সক্ষম।
শর্ত হলো যে, ২০ ধারায় (২)উপধারা মোতাবেক, দক্ষলে রাখা চা বাগানের খাস ভূমি পূর্বাহ্নের ডেপুটি কমিশনারের লিখিত মজুরী ব্যতিত হস্তান্তর করা যাবে না এবং প্রস্তাবিত হস্তান্তরের কোন মতেই সামগ্রীকভাবে চা বাগানের অস্তিত্বকে বিনষ্ট করতে পারবে না বা কোন মতেই যে উদ্দেশ্যে ভূমি দখলে রাখা হয়েছে সেই চা চাষের কোন বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারবে না।
উক্ত এ্যাক্টের ৮৯ ধারায় (১)উপধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কৃষি ভূমির যে কোন রূপ হস্তান্তর রেজিষ্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে হতে হবে।
যে সকল ক্ষেত্রে রেজিষ্ট্রির প্রয়োজন নেই:
১। আদালতে ডিক্রির বলে বিক্রয় হলে অথবা
২।সরকারী দাবী বা পাবলিক দাবী আদায়ের জন্যবেঙ্গল পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী এ্যাক্ট,১৯১৩ এর আওতাধীন দায়েরকৃত সার্টিফিকেট মোকদ্দমা মূলে নিলামে বিক্রি বা ক্রয় করা হলে। এবং
(গ)উইল মূলে।
কৃষি ভূমির মালিক: টেষ্ট একুইজিশন এন্ড টেন্যান্সি এ্যাক্টের ৮১ ধারার (১)উপধারায় কোন এলাকায় এই অংশের সবটুকু বলবৎ হওয়ার তারিখ হতে সেখানে কৃষি ভূমির মাত্র এক শ্রেনীর স্বত্ব দখলদার যথা “মালিক” থাকবে এবং এরূপ প্রত্যেক মালিকের অধিকার এবং দায় এই অংশের বিধান মোতাবেক নিয়ন্ত্রিত হবে।[এই অংশ অর্থাৎ উক্ত এ্যাক্টের ৫ম অংশের ৭৯ ধারা হতে ১৫২ ধারা পর্যন্ত] সবটুকু বহুপূর্বেই দেশের সর্বত্র জারী হয়ে বলবৎ হয়েছে। রায়ত, অধীনস্ত রায়ত ইত্যাদি শ্রেনীর দখলদারদের পরিবর্তে এক শ্রেনীর দখলদাক যাহা “মালিক” হিসেবে অভিহিত হয়েছে।
অকৃষি ভূমি: উক্ত এ্যাক্টের ৮১ এ ধারায় (১)উপধারায়, এই অংশে (৫ম অংশ)অন্য কোন রূপ ব্যবস্থা থাকা ব্যতীত অকৃষি ভূমির দখলকার যিনি এই এ্যাক্টের বিধানসমূহের আওতায় এরূপ ভূমির উপরিস্থ স্বত্ব দখল হওয়ার দরুণ সম্পর্কের অধীনে প্রজা হয়েছেন তার অধিকার আদায় যে এরূপ দখলের সময় ইষ্ট বেঙ্গল সব এগ্রিকালচারাল টেন্যান্সি এ্যাক্ট ১৯৪৯ এরূপ ভূমির ক্ষেএে প্রয়োগ হতো ইহা সেই এ্যাক্ট এর বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সতকর্তা অবলম্বনের জন্য কয়েকটি প্রয়োজনীয় পরামর্শ




কথায় আছে “পয়সা দিয়ে ঝগড়া-ফ্যাসাদ কিনতে চায় কে”?তাই ভূমি ক্রয়ের সময় সম্ভাব্য সকল যুক্তিসঙ্গত সতর্কতা অবলম্বন ও অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে।
জমি ক্রয়ের পূর্বে ক্রেতাকে যে প্রধান বিষয়গুলোর প্রতি সতর্ক হতে হবে তা হলো:
কেবল ভূমির মালিকই তার ভূমি যে কোন ভাবে হস্তান্তর করতে পারেন। তাই হস্তান্তরকারীর মালিকানা ও দখলীয় স্বত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন বিষয়গুলো বৈধ কাগজ পত্র স্বাপেক্ষে ভাল করে দেখার প্রয়োজন।
১. বিক্রিত ভূমির সংশ্লিষ্ট খতিয়ানে বিক্রেতার নাম আছে কিনা?
২. যদি বিক্রেতার নাম খতিয়ানে না থাকে তবে ভূমিতে বিক্রেতার স্বত্ব বৈধ কাগজ পত্র দ্বারা প্রমান করতে হবে।
৩.বিক্রির ভূমি(১) কোন মৌজায় অবস্থিত,(২)কোন খতিয়ান ও (৩)কোন দাগভূক্ত (৪)ইহার পরিমান এবং (৫)উক্ত খতিয়ানে ভূমিতে বিক্রেতার অংশ বা হিস্যা অনুযায়ী পরিমান ইত্যাদি ক্রয়ের পূর্বে কাগজ পত্র দ্বারা ভালভাবে যাচাই করে দেখতে হবে।
ক্রয় দলিল দৃষ্টে ভূমি ক্রয় করতে হলে দেখতে হবে:
(ক)দলিলে উল্লেখিত(১)দলিলদাতা বা দাতাদের নাম ও (২)ভূমির বিবরণ ও পরিমান সংশ্লিষ্ট খতিয়ানে লেখন ভূক্ত রয়েছে কিনা,যদি তার বা তাদের নাম সংশ্লিষ্ট খতিয়ানে লেখনভুক্ত না হয়ে থাকে তবে খতিয়ানে লেখনভুক্ত মালিকের কাছ হতে কিভাবে তারা পেয়েছেন তা অবশ্যই কাগজ পত্রের মাধ্যমে দেখাতে হবে।
এরূপ খতিয়ানে লেখনভুক্ত মালিক কর্তৃক বিক্রি হবার পর উক্ত ভুমি যতবার বিক্রি হয়েছে এবং ইহার দরুন যতটি দলিল সম্পাদিত হয়েছে ততটি দলিল পরীক্ষা করে দেখতে হবে।অন্য কোন ব্যতিক্রম না থাকলে কেবলমাত্র সংশ্লিষ্ট খতিয়ানভুক্ত মালিক বা তাঁর মৃতু্যর পর তাঁর উত্তরাধিকারীগন ভূমি হস্তান্তর করতে পারেন।সুতরাং বিক্রি বা মালিকানা স্বত্ব অর্জনের ধারাবাহিকতা অবশ্যই দেখতে হবে।
(খ)হাল খতিয়ানে ও হাল দাগ চালু হওয়ার পূর্বেকার সম্পাদিত দলিলে উল্লেখিত খতিয়ান ও দাগ নম্বর সাবেক দাগ ও খতিয়ানে নম্বরে পরিণত হয়েছে।
সুতরাং দলিলে উল্লেখিত খতিয়ান,দাগ যাহা সাবেক খতিয়ান ও দাগ নম্বরে পরিনত হয়েছে ইহার সাথে বর্তমান চালু খতিয়ান,দাগ ও জমির পরিমানের মিল আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
(গ)বিক্রির পর ক্রেতার নামজারী না হওয়ার কিংবা ক্রেতা নামজারী না করার দরুন এই সুযোগ বিক্রেতা প্রতারণামূলক অন্যের বা ২/৩ জনের কাছে গোপনে বিক্রি করে থাকতে পারে।সুতরাং ক্রয়ের পূর্বে এই বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে এবং অনুসন্ধান করতে হবে। এরূপ ঘটনা কখনো কখনো ঘটে থাকে।
(ঘ)বিক্রিত ভূমি বিক্রেতার দখলে আছে কিনা তাও দেখতে হবে।
(ঙ)বকেয়া ভূমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন করের জন্য ভূমি নিলামে বিক্রি হয়েছে কিনা অথবা নিলামে সরকার ক্রয় করে খাস করেছেন কিনা তাও দেখতে হবে।
(চ)যে সকল হিন্দু নাগরিক তাদের জমি-জমা পরিত্যাগ করে বাস্ত ত্যাগ করে ভারতে চলে গেছেন এবং সেখানে নাগরিকত্ব লাভ করে বসবাস করেছেন তাদের অর্পিত ও অনাবাসী সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভূক্ত হয়েছে এগুলো সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
সুতরাং এরূপ হিন্দু মালিকদের ভূমি পরিত্যক্ত হওয়ার দরুন খাস বা অর্পিত ও অনাবাসী সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভূক্ত হয়েছেকিনা তাও দেখতে হবে।
(জ)যে সকল মালিক ১৯৭১ সনের স্বধীনতা-যুদ্ধে বিরোধীতা করেছিলেন এবং তাদের ভূমি ও বাড়ী ঘর ত্যাগ করে বাংলাদেশ হতে চলে গিয়েছিল তাদের ভূমি পি-ও ১৬/৭২ বলে পরিত্যক্ত ভূমি হিসাবে ঘোষনা করা হয় এবং উহারা সরকারের নিয়ন্ত্রাধীন হয়।
এই শ্রেনীর মালিকদের ভূমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করে দেখতে হবে।
(ঝ)যে সকল ভূমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর দীর্ঘদিন যাবৎ অনাদায় রয়েছে অথবা মারফতদার কর্তক খাজনা বা কর পরিশোধ হয় তহশীল অফিসে ইহার কারন অনুসন্ধান করলে ভূমির প্রকৃত স্বত্বাধিকারী এবং ইহার অবস্থা কি তা সহজেই জানা যাবে।
(ঞ)তাছাড়া ভূমির খাজনা বা উন্নয়ন কর অপরিশোধিত থাকলে নিলামে খাস হওয়ার সন্দেহের অবকাশ থাকে। সুতরাং তহশীলে খোঁজ নিয়ে দেখা যেতে পারে।
(ট)ষ্টেট একুইজিশন এন্ড টেন্যান্স এ্যাক্টের ৯৭ ধারা অনুযায়ী কোন আদিবাসীর ভূমি অনুরূপ আদিবাসী ব্যতিত অন্য কেহ ক্রয় করতে চাইলে বা অন্যের নিকট হস্তান্তর  করতে চাইলে দলিল রেজিষ্ট্রি করার পূর্বে রেভিনিউ অফিসারের লিখিত সম্মতি লইতে হবে যাহা দলিলে উল্লেখ করতে হবে।এই বিধান লংঘন করলে ভূমি ক্রয় বা হস্তান্তর বাতিল হয়ে যাবে।
(ঠ)দলিলে খতিয়ানের মালিকদের নাম ভায়া দলিল থাকলে উহার নম্বর দাতা গ্রহীতা ইত্যাদির বৃত্তান্ত দলিলে উল্লেখ থাকা একান্ত আবশ্যক।
(ড)দলিলের তফসীলে জেলা,থানা,মৌজা,খতিয়ান,দাগ,ভূমির মোট পরিমান এবং কাত যকদি থাকে এবং চৌহদ্দি শহরের ভূমি হলে রাস্তা পৌর নম্বর থাকলে উহা সহ তদস্থিত দালানকোঠা যদি থাকে তবে সঠিকভাবে উল্লেখ করা একান্ত প্রয়োজন।
“হস্তান্তর অকৃষি ভূমির ব্যাক্ষ্য”-
অকৃষি ভূমি বলতে-ভূমি ও তদস্থিত বাড়ীঘর দালান-কোঠা-সহ যা ভূমির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে হস্তান্তর করা হয়েছে,উভয়ের মূল্য এক বা একত্রে ধরা হয়েছে এবং অভিন্ন এরূপ প্রি-এমশনের অধিকারী ভূমিসহবাড়ীঘর অন্তর্ভুক্ত।